হেমন্তের পাখি (হার্ডকভার)
হেমন্তের পাখি (হার্ডকভার)
৳ ৪০০   ৳ ৩৬০
১০% ছাড়
 Quantity  
Home Delivery
Across The Country
Cash on Delivery
After Receive
Fast Delivery
Any Where
Happy Return
Quality Ensured
Call Center
We Are Here


কৃতী স্বামী, দুই মেধাবী সন্তান আর সংসার নিয়ে মজে থাকা অদিতি মধ্য চল্লিশে পৌঁছে অনুভব করল সে কী নিদারুণভাবে একা ! স্বামী সুপ্রতিম আছে তার কর্মজীবন নিয়ে, দুই ছেলে পাপাই-তাতাইও পেয়ে গেছে তাদের নিজস্ব আকাশ। একা অদিতির এখন দিন কাটে নিজের সঙ্গে, খাঁচার পাখির সঙ্গে কথা বলে। এমন সময় এলেন হেমেনমামা, তাঁরই প্রেরণায় জেগে উঠল এক নতুন অদিতি, ধীরে ধীরে মগ্ন হল নিজস্ব জগতে। বিয়ের আগে অল্পস্বল্প লেখার চর্চা ছিল অদিতির। এখন আবার গল্প লেখা শুরু করল সে। নতুন চোখে দেখতে চাইল সংসারকে, স্বামীকে, সন্তানদের। শুরু হল সংঘাত। জমতে আরম্ভ করল মর্মবেদনার কালাে মেঘ। অদিতি কি তবে শুধুই সুপ্রতিমের স্ত্রী ? ছেলেদের মা ? এক রক্তমাংসের যন্ত্র যার কাজ শুধু মসৃণভাবে  সংসারের চাকাটাকে ঘুরিয়ে যাওয়া ? এর বাইরে কি অন্য অদিতি থাকতে নেই ? সুচিত্রা ভট্টাচার্যের আদ্যন্ত গতিশীল কলমে তারই অন্বেষণ ।
 

Title : হেমন্তের পাখি
Author : সুচিত্রা ভট্টাচার্য
Publisher : আনন্দ পাবলিশার্স প্রাইভেট লিমিটেড
ISBN : 9788172157289
Edition : 2018
Number of Pages : 134
Country : India
Language : Bengali

সুচিত্রা ভট্টাচার্য বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আত্মপ্রকাশ করা একজন ভারতীয় বাঙালি সাহিত্যিক। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের বই সমূহ পাঠকদের প্রবলভাবে টানতে পেরেছে সমসাময়িক মধ্যবিত্ত শহুরে জীবনের টানাপোড়েন, পরিবর্তনশীল মূল্যবোধ আর নৈতিক অবক্ষয়কে ফুটিয়ে তোলার মাধ্যমে। সেই সাথে নারীর জীবনের দুঃখ-যন্ত্রণা, অনুভূতিগুলোও ছিলো সুচিত্রা ভট্টাচার্য এর বই সমগ্র’র আরেক উপজীব্য বিষয়। সুচিত্রা ভট্টাচার্য ১৯৫০ সালের ১০ই জানুয়ারি বিহারের ভাগলপুরে মামারবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও লেখিকার বাবার বাড়ি ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে। কিন্তু লেখিকার স্কুল ও কলেজ জীবনের পুরোটাই কাটে কলকাতা শহরে। কলকাতার যোগমায়াদেবী কলেজ থেকে তিনি স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে যান উচ্চশিক্ষা লাভের জন্য। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষালাভের সময়ই তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। কর্মজীবনে প্রথমে বিভিন্নস্থানে চাকরি করে সরকারি চাকরিতে থিতু হন। কিন্তু ২০০৪ সালে পুরোপুরিভাবে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করার জন্য চাকরিতে ইস্তফা দিয়ে দেন। প্রায় সাড়ে তিন দশকের দীর্ঘ সাহিত্যিক জীবনে সুচিত্রা ভট্টাচার্য অসংখ্য ছোটগল্প ও চব্বিশটি উপন্যাস রচনা করেছেন। তিনি বাংলা সাহিত্যে ‘মিতিন মাসি’র মতো নারী গোয়েন্দা চরিত্র সৃষ্টি করে গিয়েছেন যা পাঠকদের কাছে আজও সমান জনপ্রিয়। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের ছোটগল্পগুলো দিয়েই মূলত তিনি সাহিত্যে প্রবেশ করেন। কিন্তু তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো তাঁকে লেখক হিসেবে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কাছের মানুষ, দহন, কাচের দেওয়াল, হেমন্তের পাখি, নীল ঘূর্ণি, অলীক সুখ, গভীর অসুখ, উড়ো মেঘ, ছেঁড়া তার, আলোছায়া, অন্য বসন্ত, পরবাস, পালাবার পথ নেই, আমি রাইকিশোরী ইত্যাদি। সুচিত্রা ভট্টাচার্যের উপন্যাস গল্প ‘দহন’ অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মাতা ঋতুপর্ণ ঘোষ ১৯৯৭ সালে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। এছাড়াও লেখিকার উপন্যাস অবলম্বনে ‘ইচ্ছে’, ‘রামধনু’, ‘অলীক সুখ’, ‘অন্য বসন্ত’ এর মতো বেশ কিছু জনপ্রিয় চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সাহিত্যে অবদানের জন্য এই বাঙালি নারী সাহিত্যিক কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভুবনমোহিনী মেডেল (২০০৪), কথা পুরস্কার (১৯৯৭), তারাশংকর পুরস্কার (২০০০), দ্বিজেন্দ্রলাল পুরস্কার (২০০১), শরৎ পুরস্কার, ভারত নির্মাণ পুরস্কার, সাহিত্য সেতু পুরস্কার, শৈলজানন্দ স্মৃতি পুরস্কার এর মতো নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। আজীবন তিনি কলকাতার ঢাকুরিয়ার বাড়িতে বসে লেখালেখি চালিয়ে গিয়েছেন। সেখানেই ২০১৫ সালের ১২ই মে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন সুচিত্রা ভট্টাচার্য।


If you found any incorrect information please report us


Reviews and Ratings
How to write a good review


[1]
[2]
[3]
[4]
[5]


নতুন নতুন অফার সম্পর্কে সবার আগে জানতে সাবস্ক্রাইব করুন
 
 
নতুন নতুন অফার সম্পর্কে সবার আগে জানতে সাবস্ক্রাইব করুন
 
 



Stay Connected   

Make payments via