
লেখক নিজেকে একজন ভবিষ্যৎ ভূত এবং পার্ট-টাইম ফিলোসফার হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। বাস্তব জীবনে তিনি বোতল-বন্দী ভূত বিষয়ক একটি দপ্তরে কর্মরত, যেখানে তিনি ফাইল নড়াচড়া করার চেয়ে বসকে দেখে ভয় পাওয়ার প্র্যাকটিস বেশি করেন। লেখক বিশ্বাস করেন, পৃথিবীটা একটা বিশাল আইইএলটিএস টেস্ট—যেখানে সবাই শুধু ‘কাঁচকাঁচ’ শোনে আর উত্তর না জেনেই মাথা নাড়ে। তিনি মাঝেমধ্যে ‘সিস্টেম’ বোঝার বৃথা চেষ্টা করে কৃতিত্বের সাথে ‘হতাশায় ব্যান্ড নাইন’ পেয়েছেন এবং তাঁর প্রিয় শখ হলো ঢাকার জ্যামে বসে বাসের ছাদ ফুটো করে উড়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখা। তিনি মনে করেন, ভূত দেখার জন্য অমাবস্যার রাতে শ্মশানে বা গ্রেভইয়ার্ডে যাওয়ার দরকার নেই; মাসের শেষে বাড়িওয়ালার প্রশ্নবোধক মুখ বা মানিব্যাগের ভেতরের করুণ দৃশ্যই যথেষ্ট ‘হরর এক্সপেরিয়েন্স’।
৳ 0